আজ সিআইডির চার সদস্যের একটি দল কাঁথির শান্তিকুঞ্জে
দি নিউজ লায়নঃ গত ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর আত্মঘাতী হন শুভেন্দু অধিকারীর তৎকালীন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তী ৷ এই ঘটনায় তদন্তে নেমে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার বাড়িতেই পৌঁছে গেলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা ৷ বুধবার সিআইডির চার সদস্যের একটি দল কাঁথির শান্তিকুঞ্জ (শুভেন্দুর বাড়ি) লাগোয়া ব্যারাকে যান ৷ তার পর সেখান থেকে তাঁরা শুভেন্দুর বাড়িতে যান ৷ তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তমলুকের সাংসদ তথা শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীকে ৷
এর আগে গত পরশু, সোমবার সিআইডির একটি তদন্তকারী দল পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে শুভব্রত চক্রবর্তীর বাড়িতে যান ৷ সেখানে তাঁর স্ত্রী ও অন্য পরিজনদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন ৷ তার পর বুধবার ফের তদন্তে হাজির সিআইডি ৷ এবার তারা কাঁথিতে তদন্তের কাজ চালাচ্ছেন ৷
উল্লেখ্য, ওই ব্যারাকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন শুভব্রত চক্রবর্তী ৷ তার পর তাঁকে কাঁথি হাসপাতাল ও পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ৷ ১৪ অক্টোবর তিনি ওই হাসপাতালেই মারা যান ৷ এদিন তদন্তে আসা সিআইডি আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি ৷ তবে সূত্রের খবর, ওই ব্যারাক ও শুভেন্দুর বাড়ি থেকে তদন্ত শেষে কাঁথি হাসপাতালেও তাঁরা যেতে পারেন ৷
স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে ৷ তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই ঘটনায় সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীর দিকে আঙুল তোলা হয়েছে ৷ অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী এই অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছেন ৷ তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে তাঁর কাছে ভোটে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছেন ৷
প্রসঙ্গত কয়েক দিন আগে শুভব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যুরহস্যের সমাধানের দাবি সম্প্রতি নতুন করে উঠেছে ৷ সেই দাবি তুলেছেন তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী ৷ কাঁথি থানায় তিনি নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন ৷ আর তাঁর স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত তদন্ত করার দাবি তোলেন ৷ তিনি কাঁথি থানায় নতুন করে যে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাতে নাম রয়েছে চার জনের ৷ সেই চার জনের মধ্যে একজন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী ৷

Post a Comment